বরগুনার তালতলীতে উপজেলা বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল রূপ নেয় সহিংসতায়। মঙ্গলবার (১ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে সদর রোডে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি চলাকালে সংঘর্ষে জড়ায় উপজেলা বিএনপির দুগ্রুপ। ঘটনায় অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪ জনকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
📌 সংঘর্ষের পেছনের কারণ
সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে একদিন আগে, ৩০ জুন, আহ্বায়ক শহিদুল হকের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী আবুল কালামের মারধরের অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে। এর প্রতিবাদ ও পাল্টা কর্মসূচির জেরে দুই পক্ষ একই স্থানে অবস্থান নিলে শুরু হয় উত্তেজনা, যা পরে রূপ নেয় হাতাহাতি ও সংঘর্ষে।
🧯 প্রশাসনের ভূমিকা
তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে সালমা বলেন,
“সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত নৌবাহিনীর সহায়তায় এক ঘণ্টাব্যাপী লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। শহরের দোকানপাট ২ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
🚑 আহতদের তালিকা (সংক্ষেপে)
-
সিদ্দিকুর রহমান, শাকিল, রবিউল, মহসিন, মানু, আলাউদ্দিন, কবির, রহিম, রুবেল, সাহাবিদ, আ. হাই, সাইদুল, নুর মোহাম্মদ ও মিজান।
-
৪ জন গুরুতর আহত – চিকিৎসা চলছে বরিশাল মেডিকেলে।
📢 দুই পক্ষের বক্তব্য
-
মাহবুবুল আলম মামুন ও রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ অভিযোগ করেন, ব্যবসায়ীদের পক্ষে তারা কর্মসূচি পালন করছিলেন, সেখানে হামলা হয়।
-
শহিদুল হক বলেন, তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে কর্মসূচি চলাকালে তার সমর্থকদের ওপর হামলা হয়।
✅ FAQ (প্রশ্নোত্তর অংশ)
❓ তালতলীতে সংঘর্ষ কেন ঘটেছে?
✔️ বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি থেকেই সংঘর্ষের সূত্রপাত।
❓ কতজন আহত হয়েছেন এই সংঘর্ষে?
✔️ অন্তত ১৪ জন আহত, যার মধ্যে ৪ জন গুরুতর।
❓ কারা কারা এই সংঘর্ষে নেতৃত্ব দিয়েছেন?
✔️ আহ্বায়ক শহিদুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মামুন এবং যুবদলের সদস্য সচিব রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ—দুই পক্ষ থেকেই নেতৃত্বে ছিলেন।
❓ প্রশাসন কী ব্যবস্থা নিয়েছে?
✔️ নৌবাহিনীর সহায়তায় এক ঘণ্টাব্যাপী লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং দোকানপাট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।
